Saturday, April 7, 2018

নরসিংদীতে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ভেজাল ক্যামিকেলসহ একজন গ্রেফতার

নরসিংদীতে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে
ভেজাল ক্যামিকেলসহ একজন গ্রেফতার


তৌহিদুর রহমান: নরসিংদীতে ভেজাল ক্যামিকেল তৈরীর গোপন কারখানায় অভিযান চালিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার নরসিংদী শহরের খাটেহারা এলকার জয়নাল আবেদীনের বাড়িতে অবস্থিত ভেজাল কারখানায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ভেজাল কারখানার মালিক নাহিদ হাসান কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত নাহিদ (২৫) নওগা জেলার আত্রাই থানার রসুলপুর গ্রামের মৃত আ: মালেক এর ছেলে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক জাকারিয়া আলম এর নেতৃত্বে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল এই অভিযান চালান। 
উপ-পরিদর্শক জাকারিয়া আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি খাটেহারা এলাকায় এক ব্যাক্তি ভেজাল ক্যামিকেল তৈরী করছে। এই ভেজাল ক্যামিকেল বিভিন্ন শিল্প কারখানায় বিক্রি করে আসছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে খাটেহারার জয়নাল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ভেজাল ক্যামিকেল ও তৈরীর সরঞ্জামসহ নাহিদ কে গ্রেফতার করা হয়। সে ক্যামিকেল তৈরীর অনুমোদনের পক্ষে কোন    ধরনের প্রমাণ দেখাতে পারেনি। ভৈজাল ক্যামিকেল তৈরী, মজুদ, বিক্রি ও সরবাহের অপরাধে তার বিরুদ্ধে নরসিংদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।


#
নরসিংদী
৭/৪/১৮ 



Thursday, April 5, 2018

নরসিংদীতে এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রফাস চক্রের সাথে জড়িত যুবক গ্রেফতার


নরসিংদীতে এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রফাস চক্রের
সাথে জড়িত যুবক গ্রেফতার 



তৌহিদুর রহমান: নরসিংদীর শিবপুর থেকে এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাস চক্রের সাথে সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে সাহেদ পারভেজ রিমন নামের এক যুবক কে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রুপণ কুমার সরকার এর নেতৃত্বে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল  বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে শিবপুর উপজেলার জাঙ্গালিয়া এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে। আটককৃত পারভেজ মিবপুর উপজেলার জাঙ্গালিয়া এলাকার রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে। 
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্র,দ্বিতীয় পত্র ও ইংরেজী ১ম পত্র পরীক্ষায়র প্রশ্নপত্র ফাঁস করে আসছিল পারভেজ। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে তাকে অনুসরণ করা হচ্ছিল। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে পারভেজের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে আটকের অভিযানে নামে ডিবি পুলিশ। পরে তার মোবাইল ট্র্যাকিং করে শিবপুরের জাঙ্গালিয়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

নরসিংদীর পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন জানান, এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাস সংক্রান্ত চক্রের সাথে জড়িত যুবক কে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।  এ সংক্রান্তে তথ্য প্রমাণ পুলিশের হাতে আছে। শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।



#
ইরসিংদী
৬/৪/১৮ইং



Tuesday, April 3, 2018

নরসিংদীতে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

নরসিংদীতে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার



তৌহিদুর রহমান: নরসিংদীতে ১ টি বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ সন্ত্রাসী বায়োজীদ  কে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গত সোমবার বিকেলে শিবপুর থানার চন্দনদিয়া  হতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আব্দুল গাফফারে নেতৃত্বে গোয়ন্দা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত বায়োজীদ (১৮) চন্দনদীয়া এলাকার ইউসুফ মিয়ার ছেলে।


উপ পরিদর্শক আব্দুল গাফফার (পিপিএম)  জানান, কিছুদিন পূর্বে নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ এলাকায় অবৈধ অস্ত্র দিয়ে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে একজন মারাতœক আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে অস্ত্রধারীদের ধরতে গোয়েন্দা তৎপড়তা চালানো হয়। এক পর্যায়ে সোমবার বিকেলে নিজ বাড়ির সামনে থেকে বায়োজিদ কে বিদেশী পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় শিবপুর মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামালা দায়ের করা হয়েছে। এই অস্ত্রবাজ সন্ত্রাসী চক্রের সাতে জড়িত অন্যান্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 




#
তৌহিদুর রহমান, নরসিংদী
৩/৪/১৮ইং

নরসিংদীর সর্বজন সমাদৃত সিনিয়র সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে স্বার্থান্বেষি সাংবাদিক মহলের মিথ্যা মামলা দায়ের

নরসিংদীর সর্বজন সমাদৃত সিনিয়র সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে
স্বার্থান্বেষি সাংবাদিক মহলের মিথ্যা মামলা দায়ের
মামলায় দেয়া ঘটনার বিবরণ সিনেমার কাহিনীকেও হার মানায়


তৌহিদুর রহমান: নরসিংদী প্রেসক্লাবের দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে অর্থ আত্নসাত করায় মামলা দায়ের করা হয় সাবেক সভাপতি মোরশেদ শাহরিয়ার ও সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মানিকের বিরুদ্ধে।এই মামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে ন্যাক্কারজন এক ইতিহাসের সৃষ্টি করেছেন এই দুইজন। নরসিংদীর সর্বজন সমাদৃত প্রথিতযশা সিনিয়র সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে লুটপাট ও চাঁদাবাজী করার অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করেছে এই দুইজন। এ যেন বাংলা অ্যাকশন সিনেমার কল্পকাহিনী। তবে এ ঘটনা কল্প-কাহিনীকেও হার মানিয়েছে। সিনেমায় মারামারির দৃশ্যে মানানসই বয়সের লোজনরাই থাকেন। তবে মোরশেদ শাহরিয়ার তার দায়ের করা মামলায় বার্ধ্যক্যে উপনিত সাংবাদিকরা পিস্তল নিয়ে গুলির ভয় দেখিয়ে মারামারির করে লুটতরাজের যে বিবরণ দিয়েছেন তা কল্পনাকেও হার মানায়। প্রেসক্লাবের বর্তমান আহবায়ক, সাবেক সভাপতি ও ইত্তেফাকের জেলা প্রতিনিধি নিবারণ রায়, নরসিংদী জেলার অন্যতম দৈনিক গ্রামীণ দর্পণের সম্পাদক ও বাংলাদেশ বেতারের জেলা প্রতিনিধি কাজী আনোয়ার কামাল ও সাপ্তাহিক নরসিংদী সমাচার পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক এ কে ফজলুল হক নরসিংদীর সাংবাদিক মহলে সর্বজন শ্রদ্ধেয়। তাদের বিরুদ্ধে এমন সন্ত্রাসী কার্যকালাপের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা নীচু ও নোংরা মানসিকতার প্রকাশ। মামলায় প্রধান অভিযুক্ত করা হয় নরসিংদীর স্বনামধন্য সাংবাদিক বাংলাভিশনের জেলা প্রতিনিধি মাজহারুল পারভেজ মন্টি ও সমকালের জেলা প্রতিনিধি নুরুল ইসলাম কে।
নানা অনিয়মের কারণে নরসিংদী প্রেসক্লাবের অপসারিত সভাপতি মোরশেদ শাহরিয়ার প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটির ৩ সদস্যসহ ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে রোববার নরসিংদীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। এই মিথ্যা মামলা দায়েরের খবর ছড়িয়ে পড়লে নরসিংদীর সাংবাদিক, সূধী ও বিভিন্ন মহলে নিন্দার ঝড় বইছে, সৃষ্টি হয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া।
মামলার বিবরণে বলা হয়, অভিযুক্তরা অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নরষিংদী প্রেসক্লাবে জোরপূর্বক প্রবেশ করে মোরশেদ শাহরিয়ার ও সফিকুল মোহাম্মদ মানিক এর দিকে পিস্তল তাক করে টাকা ছিনিয়ে নেয়। প্রেসক্লাব ভাঙচুর করে ও আরও টাকা চাঁদা দেয়ার জন্য হুমকি দেয়। আসল ঘটনা হলো নানা অনিয়মের কারণে কার্যকরী সদস্যদের আপত্তিতে মোরশেদ মানিক কমিটি বাতিল করা হয় ও আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। আহবায়ক নির্ভাচিত করা হয় নরষিংদরি সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রবীণ সাংবাদিক নিবারণ রায় কে। এই আহবায়ক কমিটি অতি শীঘ্রই নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। মোরশেদ-মানিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনেন প্রেসক্লাবের অধিকাংশ সহযোগী। এরফলে তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা করা হয়। সে মামলার গতি-প্রকৃতি ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতেই বিশিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাজানো মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। এই মিথ্যা মামলার খবর নরসিংদীর বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়লে নরসিংদী প্রেসক্লাবের অপসারিত সভাপতি মোরশেদ শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফুঁসে উঠেছে নরসিংদীর সাংবাদিক মহল ও সামাজিক সংগঠন। এই সাজানো মামলায় সাক্ষী হিসেবে পেশাদার-অপেশাদার কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা আদৌ এই সাজানো মামলার বিষয়ে অবগত রয়েছে কিনা তা সন্দিহান।

#
নরসিংদী
৩/৪/১৮ইং


Monday, April 2, 2018

নরসিংদী সিটি সেন্টারের ছাদে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় যুবলীগ নেতা সৈকত কে

আদালতে জড়িত সোবহানের জবানবন্দি
নরসিংদী সিটি সেন্টারের ছাদে নির্মমভাবে পিটিয়ে
হত্যা করা হয় যুবলীগ নেতা সৈকত কে


তৌহিদুর রহমান: নরসিংদী পৌরসভা সংলগ্ন সিটি সেন্টারের ১৬ তলা ছাদে দড়ি দিয়ে বেধে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় শীলমান্দীর যুবলীগ নেতা সৈকত কে। এই খুনের সাথে জড়িত সোবহান আদালতে এই খুনের ঘটনায় জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। আজ সোমবার বিকেলে নরসিংদী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট এর খাস কামরায় এই জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জড়িত সোবহান (৩০) নরসিংদী শহরের পশিচম দত্তপাড়া এলাকার রহিম মুন্সির ছেলে। সোবহানসহ এই ঘটনায় আরও ৯ জন জড়িত ছিল।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক রুপন কুমার সরকার জানান, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারনে সৈকতের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধু ও সহযোগীরা তার উপর ক্ষুব্ধ হয়। এই রোষানলে নরসিংদী পৌরসভা সংলগ্ন সিটি সেন্টারের ১৩ তলা ছাদে ২৬ মার্চ সোমবার দুপরে শুরু হয় তার উপর নির্মম নির্যাতন। এভাবে রাত পর্যন্ত চলে নির্মম পিটুনি। এক পর্যায়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সৈকত। পড়ে তার মরদেহ শিবপুরের পুড়ান্দিয়া এলাকায় ফেলে রেখে আসে তারা। আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট এর খাসকামরায় এ নির্মম ঘটনার লোমহর্ষক বর্ননা দেয় সোবহান। 
রুপন কুমার সরকার জানান, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় দোষীদের চিহ্নিত করে সঠিক তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় সোবহান কে। গতকাল রোববার বিকেলে নরসিংদী সিটি সেন্টারের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে রেখে সকল তথ্য প্রমাণ তার সামনে উপস্থাপিত করলে সে ঘটনার সব খুলে বলে। এরপর সে আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজী হয়।
জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের ধরতে শুরু থেকেই কাজ করছি আমরা। উপযুক্ত তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে খুনের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়েছে। খুনের ঘটনার সাথে জড়িত সোবহান আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। এই মূহুর্তে মামলার তদন্তের স্বার্থে সোবহানের জবানবন্দী ও আমাদেও কাছে থাকা তথ্য প্রকাশ করা যাচ্ছে না। মূলহোতাদের গ্রেফতার করতে পারলেই এ খুনের সব জানা যেতে পারে।







#
২/৪/১৮ইং 

Sunday, April 1, 2018

নরসিংদীতে ৩৮ কেজী গাজাসহ ৪ জন কে আটক করেছে বেলাব থানা পুলিশ

নরসিংদীতে ৩৮ কেজী গাজাসহ ৪ জন কে 
আটক করেছে বেলাব থানা পুলিশ

তৌহিদুর রহমান: নরসিংদীর বেলাব থেকে ৩ কেজী গাজাসহ চার জন কে আটক করেছে থানা পুলিশ। রোববার দুপুরে ও বিকেলে বেলাব -ডোমরাকান্দি ব্রীজ ও দুই দফায় বেলাব বাজার থেকে এই গাজা উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা হলো ভৈরব থানার কালপুর এলাকার মজিবর রহমানের ছেলে শরিফুল আলম (২০) একই এলাকার মৃত তোয়াব আলির ছেলে জামাল উদ্দিন (৩৫) একই থানার চন্ডিবের এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে রমজান ও সিএনজির চালক বাবু (২৫)। সার্কেল এএসপি বেলাল হোসাইন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাবেদ মাহমুদ ও উপ-পরিদর্শক ফরিদ আহমেদ এই অভিযান চালায়।


বেলাব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাবেদ মাহমুদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, কুলিয়ারচর থেকে সিএনজি অটো রিকশায় কওে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী বেশি পরিমাণে গাজা আসছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে মাটিয়াল পাড়ায় অবস্থান নেয় পুলিশ। সন্দেহভাজন ওই সিএনজিকে আটক করলে তার ভিতরে থাকা ২ জন দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ সিএনজি তল্লাশী করে ৩০ কেজি গাজা উদ্ধার করে ও ৪ জন কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে জামালের দেয়া তথ্য অনুযায়ী  এএসপি সার্কেল বেলাল হোসাইনের উপস্থিথিতে বেলাব বাজাওে জামলে ভাড়া গোডাউন থেকে আরও ৮ কেজি গাজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা। এ ঘটনায় থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 


#
নরসিংদী।
১/৪/১৮ ইং

নরসিংদীতে পুলিশের চুরি যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার, আটক ১

নরসিংদীতে পুলিশের চুরি যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার, আটক ১

তৌহিদুর রহমান: নরসিংদীতে পুলিশ অফিসারের বাসা থেকে চুরি যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার করেছে নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ। আজ রোববার সকালে নরসিংদী শহরের বানিয়াছল থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করেন মডেল থানার অপারেশন অফিসার মোজফফর হোসেন। অস্ত্র চুরির সাথে জড়িত উজ্জল মিয়াকে (২০) গ্রেফতার করা হয়েছে। সে নরসিংদী শহরের রাঙ্গামাটি মহল্লার মৃত হারুন মিয়ার ছেলে।
অপারেশন অফিসার মোজাফফর হোসেন জানান, অস্ত্রটি চুরি যাওয়ার পর থেকেই তা উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পারি উজ্জল মিয়া তালঅ ভেঙ্গে বিভিন্ন বাসা বাড়িতে চুরির সাথে জড়িত থাকতে পারে। তারপর তাকে সন্দেহজনকভাবে আটক কর হয়। আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অস্ত্র চুরির ঘটনা স্বীকার করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপ-পরিদর্শক মোজাফফর হোসেন এর সহযোগীতায় অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়। অস্ত্র চুরির ঘটনায় উপ-পরিদর্শক আলমগীর হোসেনের দায়েরকৃত মামলায় উজ্জল মিয়াকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।







#
নরসিংদী
১/৪/১৮