Friday, May 18, 2018

নরসিংদী গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযান তেলের লড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল ও গাজা উদ্ধার


নরসিংদী গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযান
তেলের লড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল ও গাজা উদ্ধার

তৌহিদুর রহমান: নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি তেলবাহী লড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল ও গাজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক নারী সহ ৩ জন কে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নরসিংদীর মাধবদী থানাধীন চৈতাব এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক হতে এ বিপুল পরিমাণ মাদক গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আটককৃতরা হলো, নারায়নগঞ্জ এর সিদ্দিরগঞ্জ থানার এছর এলাকার আমজাদ খানের ছেলে রিগান আহমেদ (২১), একই এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে সজিব মিয়া (২৩) ও ব্রাহ্মনবাড়িয়ার আখাউরা থানার বাউতলা এলাকার মাদক ব্যবসায়ী হান্দু মিয়ার স্ত্রী  মোসাঃ নেহেরা (৩৫)। 

নরসিংদী গোয়েন্দা পুলিশের দেয়া এক সংবাদ বার্তায় জানানো হয়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক খোকন চন্দ্র সরকার এর নেতৃত্বে গোয়েন্দা পুলিশের একটি অভিযানিক দল ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চৈতাব নামক স্থানে একটি তেল বহনকারী ট্যাংকার ট্রাক তল্লাশী করে। তল্লাশী করে ট্যাংকার এর ভিতরে বিশেষ কৌশলে রাখা ৭ টি প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা ৮২০ পিস ফেনসিডিল ও ২৬ কেজী গাজা পাওয়া যায়। এসময় ট্রাকের চালক ও হেলপার কে আটক করা হয়। পরে তাদের মোবাইলে ফোন দেয়ার সূত্র ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাদক ব্যাবসায়ী হান্দু মিয়া ও তার স্ত্রী কে গ্রেফতার করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় অভিযান চালানো হয়। এসময় হান্দু মিয়া কে না পাওয়া গেলেও তার স্ত্রী ও মাদক ব্যবসার সহযোগী নেহেরা কে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হান্দু মিয়া এ অভিনব উপায়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবারহ করতো। তেলের ট্যাংকার কেউ তল্লাশী করতোনা বলেই তারা নির্বিঘেœ মাদকের ব্যবসা করে আসছিল।

বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার ও ৩ জন কে আটকের ঘটনায় উপ-পরিদর্শক খোকন চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। 

#
নরসিংদী
১৮/৫/১৬ ইং
  


Thursday, May 17, 2018

নরসিংদী পুলিশ সুপারের উদ্যোগে চর করিমপুরের দুই বিবদমান পক্ষের মিলন মেলা

নরসিংদী পুলিশ সুপারের উদ্যোগে
চর করিমপুরের দুই বিবদমান পক্ষের মিলন মেলা
হাজার খানেক টেটা জমা দিয়ে টেটা যুদ্ধ না করার অঙ্গিকার



তৌহিদুর রহমান: নরসিংদী পুলিশ সুপারের উদ্যোগে নরসিংদী সদর উপজেলার চর করিমপুরের বিবদমান দুই গ্রুপের টেটা যুদ্ধ বন্ধ করতে এক মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিলন মেলায় দুই পক্ষের নেতারা আর কখনো টেটা যুদ্ধ করবে না বলে অঙ্গিকার করেন। এসময় প্রায় হাজার খানেক ধারালো টেটা পুলিশ সুপারের কাছে সমর্পন করা হয়। বিপুল সংখ্যাক লোকের উপস্থিতিতে দুই পক্ষের নেতাগণ আর কখনো টেটা যুদ্ধ করবে না বলে অঙ্গিকার কওে ন। সেই সাথে উপস্থিত করিমপুরের সর্বস্তরের লোকজন আর কখনো টোঁযুদ্ধ করবে না বলে দুই হাত তুলে অঙ্গিকার করেন। 
আজ বৃহস্পাতবার করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বহুল প্রত্যাশিত এই মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মিলন মেলা উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মিলন মেলা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন (বিপিএম,পিপিএম)। করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়রম্যান হারিছ মিয়ার সভাপতিতে ও সদর মডেল থানার অপারেশন অফিসার মোজাফফর হোসেন এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন জাকির হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল শাহরিয়ার আলম, নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা মো: সৈয়দুজ্জামান। এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিউল আলম বাচ্চু মাষ্টার, এলাকার সম্মানিত ব্যাক্তি জসিম উদ্দিন মাষ্টার। আলোচনা সভায় টেটা যুদ্ধের দুই পক্ষের নেতা মমিন মিয়া ও জাহাংগীর মিয়া আর কখনো টেটা রযুদ্ধে জড়াবেনা বলে অঙ্গিকার করে। মমিন মিয়া নরসিংদী চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক পদে আছেন ও যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। অপর দিকে জাহাঙ্গীর মিয়া করিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক। এই দুই নেতার মধে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে বহু দিন ধরে টেটা যুদ্ধ চলে আসছিল। তারা এলাকার বাহিরে থেকে বিরোধ কে উস্কে দিয়ে মরণপন যুদ্ধের সৃষ্টি করতো। এর আগে করিমপুরের শুটকিকান্দিতে এক অনুষ্ঠানে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও সদর আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম হীরু (বীর প্রতিক) টেটা যুদ্ধ না করতে নেতাদের কে শপথ করান। কিন্তু শপথ করানের পরদিনই শুরু হয় টেটা যুদ্ধ। আহত হয় প্রায় ৪০ জন। এর মধ্যে একজন ঢাকা মেডিকেলে আশংকাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছে। এমন অবস্থায় এ গুরুতর সমস্যা নিরসনে কার্যক্রম শুরু করেন পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন। পুলিশ সুপারে বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে দুই পক্ষই এলাকার বৃহৎ স্বার্থে নিজেদের মধ্যেকার বিরোধ নিষ্পত্তি করবে বলে আগ্রহ প্রকাশ করে। আজ বৃহস্পতিবার সকালেই করিমপুর বাসীর দীর্ঘ দিনের এ সমস্যার সমাধান হলো। এলাকাবাসীরাও দুই হাত তুলে অঙ্গিকার করেচেন তারা কখনো টেটা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবে না। 
পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন করিমপুরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন,

Saturday, May 12, 2018

নরসিংদীর পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলন নরসিংদীতে ব্যাটারী অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের ৫ খুনিসহ গ্রেফতার ৯

নরসিংদীর পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলন
নরসিংদীতে ব্যাটারী অটোরিকশা ছিনতাই
চক্রের ৫ খুনিসহ গ্রেফতার ৯

তৌহিদুর রহমান: ব্যাটারি অটোরিকশা ভাড়া করে কোন নির্জন স্থানে পৌছলে ধারাল অস্ত্র দিয়ে চালক কে জবাই না হয় গামছা দিয়ে প্যাচিয়ে শাষরুদ্ধ  করে করে হত্যা। তারপর সে অটোরিকশা বিক্রি করে টাকা ভাগা-ভাগি। অনেকে মিলে করা এ নৃশংস কাজের জন্য জন প্রতি জনে টাকার ভাগ পরে মাত্র ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা। এই টাকার জন্য ভয়ংকর এই অপরাধীদের কাছে মানুষ হত্যা যেন মামুলী ব্যাপার। নিজেদের লুকিয়ে রেখে এতদিন অধরা থাকলেও এবার নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলো এ চক্রের ৯ জন। যার মধ্যে ৫ জন সরাসরি চালক কে খুন করে ছিনতাইয়ের কাজটি করতো। আর বাকি ৪ জন ছিনতাইকৃত অটো রিকশার বেচা কেনার সাথে জড়িত। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আব্দুল গাফফার (পিপিএম) এর নেতৃত্বে গোয়েন্দা পুলিশের দল নিরবিচ্ছিন্ন তদন্ত শেষে তাদের গ্রেফতার করেন। 
নরসিংদীর পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন (বিপিএম) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। আজ শনিবার সকালে নরসিংদী পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২৯ এপ্রিল নরসিংদীর শীলমান্দী থেকে হাবিবুর রহমান নামের এক অটো চালকের জাবাই করা লাশ পাওয়া যায়। তাকে হত্যার পর অটো রিকশা টি নিয়ে যায় হত্যাকারীরা। এই ঘটনায় নিহতের ভাই মোঃ ফারুক মিয়া বাদী হয়ে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এর আগে এ বছরের ৯ ফেব্রুয়ারী দগড়িয়ায় নরসিংদী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর অদুরের আবাদী জমি থেকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ধারনা করেছে তাকে হত্যা করে অটো রিকশা ছিনতাই করা হয়েছে। নিহতের কোন পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানের বেশ কয়েকটি অটো রিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার কারন উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেফতার করতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ কে বিশেষ নির্দেশনা দেন পুলিশ সুপার।
পুলিশ সুপারের নির্দেশে উপরোক্ত মামলা তদন্তভার দেয়া হয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আব্দুল গাফফার কে। নরসিংদী, নারায়নগঞ্জ, গাজীপুর এলাকার অটো রিকশা ছিনতাইয়ের সাথে জড়িতদের সনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বের হয়ে আসে অটো রিকশা ছিনতাইয়ের লোমহর্ষক ঘটনা। 
গ্রেফতারকৃতরা হলো, কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানার রাঙ্গালিরকুটি এলাকার জহির আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৮), বর্তমানে নরসিংদী শহরের বিলাসদী এলাকার ভাড়াটিয়া, গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার বাগিয়া এলাকার স্বপন ভুইয়ার ছেলে তুহিন (২২), বর্তমানে নরসিংদীর বাগহাটা এলাকার বাসিন্দা, নরসিংদী শহরের কাউরিয়া পাড়া মহল্লার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে হৃদয় (২২), মনোহরদীর চালাকচর গাংপাড় এলাকার সাহাবুদ্দিন এর ছেলে বুলবুল (২৫), মাধবদীর বড় গদাইচর   এলাকার কাউসার মিয়ার ছেলে রনি (২৪)। এরা অটো রিকশা ছিনতাই ও খুনের সাথে জড়িত। এছাড়া ছিনতাইকৃত ব্যাটারী অটো রিকশা বেচা-কেনার সাথে জড়িত থাকায় আরও ৪ জন কে আটক করা হয়েছে। তাদের দেয়া তথ্যমতে এখন পর্যন্ত ১০ টি অটো রিকশা উদ্ধার কর হয়েছে। অন্যান্য আটককৃতরা হলো, নরসিংদী সাটির পাড়া মহল্লার আউয়াল মিয়ার ছেলে আল আমিন (২৩), একই মহল্লার মোহাম্মদ আলীর ছেলে জসিম উদ্দিন (১৯, নারায়গঞ্জ আড়াইহাজার দেবই এলাকার আলী মোহাম্মদ এর ছেলে সায়েম মিয়া (৩৬) ও মাধবদীর বিরামপুর এলাকার আজগর আলীর ছেলে নুরুল ইসলাম ঠান্ডা (২২)। 
পুলিশ সুপার সংবাদ সম্মেলনে আরও জানান, গ্রেফতারকৃতরা নরসিংদী, নারায়নগঞ্জ, গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে অটো রিকশা ছিনতাই করেতা। তারা এই ছিনতাইয়ের সময় অনেক কেই হত্যা করেছে বলে সন্দেহ হচ্ছে। তাদেও কে অধিক জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ সংক্রান্ত আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে। অন্যান্য জেলার পুলিশ তাদের ব্যাপারে খোজ খবর নিচ্ছে।

#
নরসিংদী
১২/৫/১৮ইং  


Tuesday, May 8, 2018

নরসিংদীতে বহিস্কৃত শ্রমিকের ইটের আঘাতে প্রাণ গেল জবা টেক্সটাইল মিল ম্যানেজারের

নরসিংদীতে বহিস্কৃত শ্রমিকের ইটের আঘাতে প্রাণ গেল
জবা টেক্সটাইল মিল ম্যানেজারের

তৌহিদুর রহমান: নরসিংদীর জবা টেক্সটাইল মিলের বহিস্কৃত শ্রমিকের ইটের আঘাতে প্রাণ গেল উতপাদন ম্যানেজার তৌহিদুল ইসলাম ফারুক (৪২) এর। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গত সোমবার রাতে বহিস্কৃত  শ্রমিক নয়ন ও তার কয়েকজন সহযোগীরা মিল গেটের সামনে ম্যানেজার ফেরদৌস ও তার সাথে থাকা আরও দুই জনের উপর হামলা করে। ম্যানেজার তৌহিদুল ইসলাম ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার রেডিও কলোনীর বাসিন্দা। মারামারির ঘটনায় জবা টেক্সটাইল মিলের জেনারেল ম্যানেজার মাহমুদ হোসেন বাদী হয়ে নয়ন ও তার সহযোগীদেও আসামী করে। সদর মডেল থানায় একটি মারামারির মামলা দায়ের করেন।  
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৩ মাস পূর্বে তাদের কে মিল থেকে বহিস্কার করায় ক্ষুব্দ হয়ে তার উপর হামলা করা হয়। মারামারীর এক পর্যায়ে একজন তার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে। আঘাতে তার মাথা ফেটে রক্ত বের হতে থাকলে আশেপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে সদও হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকি’সা শেষে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। নরসিংদী সদর মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মোজাফফর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার রাতেই এ ঘটনায় মারামারির মামলা রুজু হয়। ডেথ সার্টিফিকেট পাওয়ার পর হত্যা মামলা রুজু করা হবে। 

#
নরসিংদী
৮/৫/১৮ইং


Monday, May 7, 2018

নরসিংদীতে আবাসিক হোটেল নিরালায় পুলিশের অভিযান অসামাজিক কার্যকালাপের জন্য হোটেল সীলগালা

নরসিংদীতে আবাসিক হোটেল নিরালায় পুলিশের অভিযান
অসামাজিক কার্যকালাপের জন্য হোটেল সীলগালা


তৌহিদুর রহমান: নরসিংদীর শহরের বাজিরমোড়ে অবস্থিত আবাসিক হোটেল নিরালাতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এসময় আসামাজিক কার্যকালাপের অভিযোগে হোটেলের বিভিন্ন কক্ষ থেকে ৩০ নারী পুরুষ কে আটক করা হয়। গত রোববার নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শাহরিয়ার আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হোটেলটিতে অভিযান চালায়। পরে পুলিশ সুপার বিষয়টি জেলা প্রশাসক কে অবহিত করেন। জেলা প্রশাসকের নিদের্শে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হোটেল এর  মালিক কে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা ও হোটেল টি সীলগালা করে দেয়। আটককৃত নারীদের পারিবারিক সম্মান ও নিরাপত্তার বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে  জরিমানা আদায় করে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয়া হয়। এয়াড়া হোটেলে যুবতীদের দিয়ে পতিতাবৃত্তি করানোর অপরাধে পুলিশ বাদী হয়ে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করে।  মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্র্যট   
নরসিংদীর পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন বলেন, বিভিন্ন ভাবে আমরা খবর পেয়েছি যে এই হোটেল টিতে অসামাজিক কাজ হচ্ছে। সেই সূত্রে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে হোটেল থেকে  ৩০ জন নারী পুরুষ কে অসামাজিক কাজের সাথে জড়িত থাকায় আটক করা হয়। হোটেলটির কাগজপত্র ঠিক ছিল না। প্রভাব বিস্তার করেই সে দীর্ঘ দিন ধরে এই অপকর্ম করে আসছিল। জেলা প্রশাসক কে বিষয়টি অবহিত করা হয়। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে একজন নির্বহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট হোটেল এর মালিক কে জরিমানা করেন ও হোটেল সিলগালা করে দেন। অসামাজিক কাজে যারা জড়িত ছিল তাদের অনেকের স্বামী বিদেশে থাকে, কয়েকজন এইচ.এস সি .পরিক্ষার্থী। তাদের কে জরিমানা আদায় ও মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়। পতিতাবৃত্তির অপরাধে হোটেল মালিক ও ম্যানেজারের বিরুদ্ধে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে । সে মামলায় হোটেল মালিক জাহাঙ্গীর ও ম্যানেজার কে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে আজ।

#
নরসিংদী
৭/৫/১৮ইং 

Thursday, May 3, 2018

সিরাজ চেয়ারম্যান হত্যার ঘটনাস্থলে পুলিশ সুপার পুলিশি অভিযানে সন্দেহভাজন দুই জন আটক

সিরাজ চেয়ারম্যান হত্যার ঘটনাস্থলে পুলিশ সুপার
পুলিশি অভিযানে সন্দেহভাজন দুই জন আটক
তৌহিদুর রহমান: রায়পুরার বাশগাড়ির চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হকের হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন। বৃহস্পতিবার স্বন্ধার পর তিনি রায়পুরায় যান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জাকির হোসেন ও (অপরাধ) মোহাম্মদ শফিউর রহমান। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বেশ কয়েকটি টিমও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযানে এখন পর্যন্ত ২ জন কে আটক করেছে পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। 
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, স্বন্ধার পর পর পুলিশ সুপার রায়পুরায় আসেন। তিনি থানায় অবস্থান করে হত্যার সাথে জড়িতদের আটক করার জন্য বিভিন্ন দিক নিদের্শনা দিয়েছেন ও মনিটরিং করছেন। 
পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন বলেন, বাশগাড়ির ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হত্যার মূল কারণ জানা গেছে। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করতে বেশ কয়েকটি টিম কাজ করছে। ইতিমধ্যে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে ২ জন কে আটক করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এই মূহুর্তে আটককৃতদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।এই হত্যাকান্ড নিয়ে যেন কোণ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে দিকে সজাগ নজর রাখা হচ্ছে। 

#
নরসিংদী
৩/৫/১৮ইং    

রায়পুরার বাশাগাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক কে গুলি করে হত্যা

রায়পুরার বাশাগাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান
সিরাজুল হক কে গুলি করে হত্যা

তৌহিদুর রহমান : নরসিংদীর বাশগাড়ী ইউনিয়নের ৬ বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা  সিরাজুল হক কে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ভাড়া চালিত মোটর সাইকেলযোগে রায়পুরা থেকে বাশগাড়ী যাচ্ছিলেন তিনি। যাবার পথে আলিনগর আড়াকান্দা নামক স্থানে মোটর সাইকেল থামিয়ে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এসময় মোটর সাইকেল এর চালক কে গুলি করা হয়। পরে আশে পাশের লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এখন পর্যন্ত এই হত্যাকান্ডের কোন কারন জানা যায়নি। অাহত মোটর সাইকেল এর ব্যপারে এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। 
বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক (৬৫) বাশগাড়ি ইউনিয়নের ৬ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। তিনি রায়পুরা উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য।  
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসাপাতাল মর্গে নেওয়া হয়েছে।  ঘটনার কারণ উদঘাটনে চেষ্টা করছে পুলিশ। 

#
নরসিংদী
৩/৫/১৮ইং