Tuesday, June 12, 2018

নরসিংদী সরকারী কলেজের স্টুডেন্ট সার্ভার ইউনিটির উদ্যোগে দুস্থ শিশুদের মাঝে ঈদের জামা বিতরণ

নরসিংদী সরকারী কলেজের স্টুডেন্ট সার্ভার ইউনিটির
উদ্যোগে দুস্থ শিশুদের মাঝে ঈদের জামা বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার: হাসবো সবাই এ স্লোগান কে সামনে রেখে নরসিংদী সরকারী কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীরা মিলিত হয়ে গড়ে তুলে সেবা ধর্মী সংগঠন স্টুডেন্ট সার্ভার ইউনিটি। আসন্ন রোজার ঈদে সুবিধা বঞ্চিত কিছু শিশুর মুখে ঈদের হাসি ফুটাতে সচেষ্ট হয়েছে তারা। নতুন জামা প্রদান ও হাতে নকশা করে মেহেদী পড়িয়ে দিয়ে শিশুদেও মুখে হাসি ফুটিয়েছে তারা। আজ মঙ্গলবার সকালে কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ মিলনায়তনে এই উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইসহাক খলিল বাবু। সংগঠনটির মুখপাত্র মো: হানিফ মিয়ার সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক গ্রামীণ দর্পণ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার তৌহিদুর রহমান, নরসিংদী শহর ছাত্রলীগের সভাপতি রাজীব সরকার, সরকারী কলেজের সভাপতি শিব্বির আহমেদ মোল্লা শিবলী, সাধারন সম্পাদক রাব্বির আহমেদ অতুল প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসহাক খলিল বাবু বলেন, ছোট পরিসরের এই আয়োজন অনেক বড় মহৎ কাজের স্বাক্ষর রেখেছে। মৌলিক চাহিদা পূরণে করতে যাদের যাদের হিমশিম খেতে হয় ঈদে নতুন জামা পাওয়া তাদের কাছে স্বপ্নের মতো। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে স্টুডেন্ট সার্ভার ইউনিটি যে ভাবে এগিয়ে এসেছে তা অনুকরণীয়। তাদের এই কার্যক্রমে অনুপ্রাণিত হয়ে আরও অনেকেই সুবিধা বঞ্চিতদের পাশে দাড়াবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।


#
নরসিংদী
১২/৬/১৮ইং

Sunday, June 10, 2018

নরসিংদী রেলস্টেশনে সাধারন মানুষের সাথে ইফতার পার্টি নরসিংদী জেলা যুবলীগের

নরসিংদী রেলস্টেশনে সাধারন মানুষের
সাথে ইফতার পার্টি নরসিংদী জেলা যুবলীগের


তৌহিদুর রহমান: আলোকসজ্জাময় ঝাকজমকপূর্ন সাজসজ্জা আর নানান আইটেমের খাবার নয়। নরসিংদী রেল স্টেশনে সাধারন মানুষের সাথে এক কাতারে বসেই ইফতার করেছে নরসিংদী জেলা যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। নেতা-কর্মী সাধারন মানুষ ইফতার করেছে তৃপ্তি সহকারে। কোন খাবার উচ্ছিস্ট হয়ে জায়গা করে নেয়নি ডাস্টবিনে। বর্তমান প্রচলিত ইফতার পাটির্তে উচ্ছিষ্ট হওয়া খাবারের জন্য যারা অপেক্ষা করতো দীর্ঘ সময় তারাই আজ অতিথি। পবিত্র রমজান উপলক্ষে গত বছরের ন্যায় নরসিংদী জেলা যুবলীগ নরসিংদী রেল স্টেশনে তাদের ইফতার পার্টি আয়োজন করে। ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী পৌরসভার মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল। আরও উপস্থিত ছিলেন শহর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আমজাদ হোসেন বাচ্চু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান আজিম, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইসহাক খলিল বাবু, জেলা যুবলীগ নেতা নাছির মোল্লা, ইব্রাহিম খলিল তুহিন প্রমুখ।
নরসিংদী জেলা যুবলীগের সভপতি বিজয় কৃষ্ণ গোস্বামী ও সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান শামীম নেওয়াজের উদ্যোগে আয়োজিত এই ইফতার মাহফিল রমজানের মহত্ব কে ফুটিয়ে তুলেছে বলেই অনেকে মত প্রকাশ করেন। 
নরসিংদী জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক শামীম নেওয়াজ জানান, রাজনৈতিক দল, অঙ্গ-সংগঠন, সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান পবিত্র রামজান উপলক্ষে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে থাকে। বেশিরভাগ ইফতার মাহফিলে গন্যমান্য, প্রতিষ্ঠিত ও নির্দিষ্ট ব্যাক্তিরাই অংশ গ্রহণ করেন। তাদের সম্মানে আয়োজিত এসব ইফতার মাহফিলে খুব কষ্টে চলা মানুষ গুলো অংশগ্রহণ করতে পারেনা। তারা চেয়ে থাকে বেশী হওয়া খাবারের দিকে। এসব ইফতার মাহফিলে অধিকাংশ খাবার বেশী, উচ্ছিষ্ট ও নষ্ট হয়। শুধুমাত্র ডেকারেশন ও লাইটিংয়ে খরচ হয় অনেক। আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য নিতে হয় বিশেষ ব্যবস্থা।এসব বিষয় গুলি আমাকে বেশ মানুষিক পীড়া দেয়, এবার আমি অনেক ইফতার মাহফিলেই অংশগ্রহণ করি নাই কষ্ট পাই বলে। 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মণি সাধারন মানুষদের জন্য রাজনীতি করতেন। আমরা তাদের আদর্শে রাজনীতি করি। তাদের আদর্শকে সমুন্নত রেখে সাধারন মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে চায় নরসিংদী জেলা যুবলীগ। আমরা যুবকরাই মানুষের কল্যাণে ও সেবায় সবার্গ্রে এগিয়ে আসতে হবে। কোন খাবার ও অর্থের অপচয় না করে সাধারন মানুষের সাথে বসে ইফতার করা মানুষের মানবিক মূলবোধ কে জাগিয়ে তুলতে ভূমিকা পালন করবে বলেই আমার বিশ্বাস। এভাবেই আমরা সুখি সমৃদ্ধ একটি দেশ গড়তে পারব।  

#
নরসিংদী
১০/৬/১৮ইং 

নরসিংদী পুলিশ সুপার ও পৌর মেয়রের উদ্যোগ

নরসিংদী পুলিশ সুপার ও পৌর মেয়রের উদ্যোগ
সদর উপজেলার নজরপুরে টেটাযুদ্ধ বন্ধে
বিবদমান সকল পক্ষের টেটা সমর্পণ

তৌহিদুর রহমান: নরসিংদী পুলিশ সুপার ও পৌর মেয়রের উদ্যোগে নরসিংদী সদর উপজেলার চর নজরপুরে আর কোনদিন টেটাযুদ্ধ করবেনা বলে অঙ্গিকার করেছে বিবদমান সকল পক্ষের লোকজন। সেই সাথে তাদের কাছে রক্ষিত টেটা জমা দিয়েছে তারা। আজ রোববার নজরপুর ইউনিয়নের অলিপুরা 
বাজারে এক মিলন মেলার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দিনের এ টেটাযুদ্ধ বন্ধে সবাই এক্যবদ্ধ হয়। এই মিলন মেলার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী পৌরসভার মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল। মিলন মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শাহরিয়ার আলম, সদর৪ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: সৈয়দুজ্জামান, জেলা আওয়ামি লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান আজিম প্রমুখ। মিলন মেলা ও আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন নজরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাদল সরকার ও সঞ্চালনা করেন নরসিংদী সদর মডেল থানার অপারেশন অফিসার মোজাফফর হোসেন। 
মিলন মেলায় দুই পক্ষের নেতারা আর কখনো টেটা যুদ্ধ করবে না বলে অঙ্গিকার করেন। এসময় প্রায় হাজার খানেক ধারালো টেটা পুলিশ সুপারের কাছে সমর্পন করা হয়। মোশারফ, আরমান ফকির, কামাল মেম্বার, কুদ্দুস মেম্বার, জলিল ফকির, শাহজাহান মনা, রমজান মেম্বার, সামসু মেম্বার ও মনা মিয়া টেটা যুদ্ধ সৃষ্টিকারী এই নেতারা সদলবলে তাদেও কাছে রক্ষিত টেটা গুলি এক জায়গায় জড়ো করে। বিপুল সংখ্যাক লোকের উপস্থিতিতে পক্ষের সর্দারগণ আর কখনো টেটা যুদ্ধ করবে না বলে অঙ্গিকার করেন। সেই সাথে উপস্থিত নজরপুরের সর্বস্তরের লোকজন আর কখনো টেটাঁযুদ্ধ করবে না বলে দুই হাত তুলে অঙ্গিকার করেন।
পৌর মেয়র কামরুজ্জামন নজরপুরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, মানুষ কে ভুল বুজিয়ে ঝগড়া বিবাদে মত্ত রেখে নিজেদের স্বার্থ আদায় করাই ইন্দনকারীদের কাজ। টেটা যুদ্ধে আহত হয়ে অনেক পরিবারিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই সাথে আইনের ফাক গলে বের হতে প্রানান্ত চেষ্টা ও বিভিন্ন দালালের ক্ষপ্পড়ে পড়ে আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়। টেটা যুদ্ধে আহত নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাক্তি কোন মায়ের সন্তান, স্ত্রীর স্বামী, সন্তানের পিতা। তাদের ভবিষ্যতের দিতে তাকিয়ে টেটাযুদ্ধের মতো নিষ্ঠুরতা বন্ধ করতে সবাইকে  আহবান জানান। তিনি আরও বলেন নরসিংদী জেলা কলংকিত করে তুলেছে এই টেটা যুদ্ধ। এখন থেকে যারা টেটা যুদ্ধে ইন্ধন কিংবা অংশগ্রহণ করবেন তাদের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত পদক্ষেপ নেয়া হবে। 
পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন (বিপিএম, পিএিম) প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, আমি নরসিংদী আসার পূর্বেই জেনেছি আপনাদের এই টেটাযুদ্ধের কথা। এটা আপনাদের জন্য একটি কলংকিত অধ্যায়। আমি আপনাদের কাছে শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছি। সকল ভেদাভেদ ভুলে আপনারা মিলে-মিশে শান্তিতে থাকবেন সেটাই আমরা প্রত্যাশা করি। নরসিংদী পৌরসভার মেয়র ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে আপনারা শান্তিপূর্ণ অবস্থানের জন্য সকল টেটা জমা দেয়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন। আজ আপনারা আপনাদেও প্রতিজ্ঞা পূরণ করেছেন। সে জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
এই মিলন মেলার পরও যদি কেউ টেটাযুদ্ধে লিপ্ত হন তবে তাকে শক্ত হাতেই মোকাবেলা করা হবে। শুধুমাত্র মানবিক কারনে আপনাদের কে শেষবারের মতো সুযোগ দেয়া হয়েছে। যেখানে দেশ উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে সেখানে এসব নিষ্ঠুরতা চলতে দেয়া হবে না। জেলা পুলিশ অত্যাধুনিক ড্রোন ক্যামেরা দিয়ে দুর থেকেই দেখতে পারবে টেটাযুদ্ধে কারা অংশগ্রহণ করছে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আপনারা সকল বিবেদ ভুলে আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। টেটা যুদ্ধ না করার যে প্রতিজ্ঞা করেছেন তা যেন বজায় থাকে সে আহবান করছি।

#
১০/৬/১৮ইং

Wednesday, June 6, 2018

নরসিংদীর পাসপোর্ট অফিসে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

নরসিংদীর পাসপোর্ট অফিসে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান 
আটক ২ দালাল, জেল জরিমানা


শরীফ ইকবাল রাসেল: নরসিংদী জেলা প্রশাসনের অব্যাহত অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার সকালে নরসিংদীর পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় ভোক্তা অধিকার আইনে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জড়িমানা অনাদায়ে এক মাসের জেল এবং আরেক ব্যক্তিকে সরকারী কাজে বাধা দানের কারনে তিন দিনের জেল দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। 
নরসিংদী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহ আলম মিয়া এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। 
বুধবার সকালে নরসিংদী শহরের বাসাইলে অবস্থিত পাসপোর্ট অফিসে অভিযান পরিচালনার সময় বাসাইল এলাকার নাজমুল হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জড়িমানা অনাদায়ে এক মাসের জেল এবং বানিয়াছলের আব্দুল মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলামকে রাষ্ট্রীয় কাজে বাধা দানের জন্য তিন দিনের জেল দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহ আলম মিয়া।
এসময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহ আলম মিয়া জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় বিভিন্ন অনিয়ম ও ভেজালের বিরোদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


#
৬/৬/১৮ইং
নরসিংদী
     

নরসিংদী পৌর মেয়রের মাদক বিরোধী অভিযান

নরসিংদী পৌর মেয়রের মাদক বিরোধী অভিযান
চৌয়ালা এলাকার মাদক ব্যবসায়ী মতি কে পুলিশে সোপর্দ


তৌহিদুর রহমান: নরসিংদী পৌর শহর কে মাদক মুক্ত করতে অভিযানে নেমেছে পৌর মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সকালে চৌয়ালা এলাকার সচেতন মানুষ ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী মতি মিয়া কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন তিনি। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী মতি মিয়া দীর্ঘ দিন ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এর আগে বেশ কয়েকবার তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। জামিনে বের হয়ে পুনরায় সে এ ব্যবসা শুরু করে। সে চৌয়ালা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। চৌয়ালা ও আশেপাশের এলাকার মাদকসেবীদের কাছে মাদক বিক্রি করতো। মাদক ব্যবসায়ী মতি মিয়া ৫০) শেখেরচর এালাকার মৃত মিন্নত আলীর ছেলে। সে চৌয়ালা এলাকায় বহ বৎসর ধরে বসবাস করে আসছে। তাকে আটকের খবর শুনে আশেপাশের লোকজন জনবন্ধু লোকমান হোসেন স্কুলের মাঠে ভীড় করতে থাকে।
নরসিংদীর পৌরসভার মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল জানান, সরকার ঘোষিত মাদক নির্মূল অভিযান শুধুমাত্র র‌্যাব-পুলিশ দিয়ে সম্পূর্ন করা যাবে না। আমাদের প্রত্যেক সচেতন নাগরিকদের মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। চৌয়ালা এলাকার মতি মিয়া বহু দিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসেছ। আশেপাশের লোকজনের অতিষ্ঠ হয়ে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তার পরিবারের সদস্যরাও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এই মাদক ব্যবসায়ী পরিবার কে নরসিংদী শহর থেকে চলে যাওয়ার জন্য এলাকাবাসী দাবী জানিয়েছে।
মাদক ব্যবসায়ী আটকের ঘটনা শুনে চৌয়ালায় ছুটে আসেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: সৈয়দুজ্জামান। তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে জোরদার ভ’মিকা পালন করতে হবে। পৌর মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও সাহসী উদ্যোগ। মাদকের বিরুদ্ধে নেয়া যে কোন পদক্ষেপে পুলিশ সর্বাতœক সহযোগীতা করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। 

#
নরসিংদী
৬/৬/১৭ইং

Tuesday, June 5, 2018

নরসিংদী সরকারী কলেজের রসায়ন বিভাগীয় প্রধানের দূর্নীতির প্রতিবাদে শ্রেণী কক্ষে তালা দিয়েছে ছাত্ররা

নরসিংদী সরকারী কলেজের রসায়ন বিভাগীয় প্রধানের 
দূর্নীতির প্রতিবাদে শ্রেণী কক্ষে তালা দিয়েছে ছাত্ররা


তৌহিদুর রহমান: নরসিংদী সরকারী কলেজের রসায়ন বিভাগীয় প্রধান এর দূর্নীতির প্রতিবাদে শ্রেনী কক্ষে তালা ঝুলিয়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা। আজ মঙ্গলবার সকালে ডিপার্টমেন্ট এর শ্রেণী কক্ষে তালা লাগায় তারা। সাধারন ছাত্র-ছাত্রীরা দাবী করে আসেছে প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষার জন্য কোন ধরনের রসিদ ছাড়াই প্রতি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৮ শত থেকে ১ হাজার টাকা করে নেয়া হচ্ছে। রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য বরাদ্দের চেয়ে কম মূল্যে নিম্মমানের ক্যামিকেল এনে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বিভাগীয় প্রধান ড. গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস। এই স্যারের কাছে প্রাইভেট না পড়ার কারনে অনেক পরীক্ষার্থীদের কে প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষায় কম নম্বর দেয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছে ছাত্র-ছাত্ররী।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে নরসিংদী সরকারী কলেজের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তিনি জানান, প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষায় আগত বাহিরের শিক্ষকের আপ্যাায়ন বাবদ পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে এ টাকা নেয়া হয়। প্রাইভেট না পড়ায় নাম্বার কম দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন এটি একটি ভুল বুঝা-বুজি। পরীক্ষার্থীদের প্রাক্টিক্যাল পরীক্ষার মানদন্ডের ভিত্তিতেই নাম্বার কম দেয়া হয়েছে। তিনি দাবী করেন ছাত্র-ছাত্ররী তাদের ভুল বুজতে পেরেছে। তারা ক্লাসের তালা খুলে দিয়েছে। তবে তার দেয়া এমন তথ্যের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। এখন পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্ররী দূনির্তীর তদন্ত দাবী করে আসছে। তাদের পক্ষ থেকে কেউ শ্রেনী কক্ষের তালা খুলে দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। 

#
নরসিংদী
৫/৬/১৭ইং     


Monday, June 4, 2018

জেলা জুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

ডিবির এসআই খোকন এর মাদক সম্পৃক্ততা
ও এএসআই সোহেলের জোড়পূর্বক স্বীকারোক্তী আদায় নিয়ে
জেলা জুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া




তৌহিদুর রহমান: গত কয়েকদিন ধরে নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের এসআই খোকন চন্দ্র সরকার কে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা আর সমালোচনার ঝড় উঠেছে। শিবপুর থানায় গ্রেফতারকৃত কালাম নামের এক ব্যাক্তি পুলিশের কাছে স্বীকার করেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই খোকন তাকে ইয়াবা সরবারহ করেন। মনোহরদী-বেলাব আসনের সাংসদের ছেলে সাদী এই ইয়াবার ব্যবসার সাথে জড়িত। এমন খবরে সাড়া পড়ে যায় নরসিংদীসহ সারাদেশে। অপর দিকে গ্রেফতারকৃত কালামের স্ত্রী ও হিমেল নামের এক কলেজ ছাত্রের মা এডভোকেট শিরিন পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করেন এএসআই সোহেল তার ছেলেকে ক্রসফায়ার এর ভয়-ভীতি দেখিয়ে টাকার আদায় করা হয়েছে। তিনি অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, এএসআই সোহেল তার সামনেই কালাম কে বেড়ধক পিটুনি দেন। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার জেলা গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক খোকন চন্দ্র সরকার, শিবপুর থানার এএসআই সোহেল রানা ও গোয়েন্দা শাখার কনস্টেবল মামুন মিয়াকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করেন।
সারাদেশে যখন মাদক ব্যবসায়ীদের ধরপাকর চলছে ও তাদের সাথে জড়িতদের দমন করা হচ্ছে সেই মূহুর্তে নরসিংদীর এই ঘটনা বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘ দিন ধরেই জেলায় গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত আছেন এসআই খোকন চন্দ্র সরকার। মাদক, অস্ত্র উদ্ধারের জন্য জেলা জুড়ে বেশ কয়েকবার সেরা হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠায় সাংবাদিক মহল বেশ তৎপড় হয়ে উঠে। সাংবাদিকদের তৎপড়তায় ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার মূল রহস্য বের হয়ে আসে। ডিবির এসআই খোকনের সাথে বিবাদ থাকায় তার বিশস্ত সোর্স কালাম কে আটক করা হয়। তারপর তাকে অমানুষিক নির্যাতন করে হাত ভেঙ্গে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে জোড়পূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়। তাকে দিয়ে স্বীকার করানো হয় ৩ বারে ৬ হাজার পিস ইয়াবা এসআই খোকন তাকে সরবারহ করে। এ ব্যবসার সাথে মনোহরদী-বেলাবরের সংসদ সদস্য হুমায়ন এর ছেলে জড়িত। কালামের স্ত্রী সোমা বেগম এর আদালতে দায়ের করা হেফাজতে নির্যাতন মামলায় এমন অভিযোগ করা হয়। নিয়ম ভেঙ্গে মনোহরদী থানার এসআই নাজিম ও এএসআই শাহিন সরকার এ ঘটনায় অংশগ্রহণ করেন। তিনি মামলার অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন মনোহরদী থানায় কর্মরত অবস্থায় নানা অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তার উপর নাখোশ এএসআই সোহেল। সেখানকার এক ছাত্ররীগ নেতাকে হয়রানী করায় সেখান থেকে ক্লোসড হন তিনি। ক্লোসড হওয়ার জন্য এএসআই সোহেল সাংসদ হুমায়ন ছেলে সাদী ও ডিবির এসআই খোকন এর প্রতি ক্ষুব্দ হন। সে কারনেই কালাম কে নির্যাতন করে এসব কথা বলানো হয়েছে ও তা মোবাইল দিয়ে ভিডিও রেকর্ড করা হয়।
জোড়পূর্বক এ স্বীকারোক্তি আদায় নিয়ে বেশ কয়েকটি গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ঘটনা পর থেকেই এসআই খোকন দাবী করে আসছেন মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার কারনেই ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েছেন। অপরদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খোকন চন্দ্র সরকার মাদক ব্যবসায় জড়িত এমন পোস্টও দেয়া হয়েছে। যা নিয়ে বেশ মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃস্টি হয়েছে নরসিংদীতে।
এসব বিষয় নিয়ে কথা হয় নরসিংদীর পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন (বিপিএম পিপিএম) এর সাথে। তিনি জানান, ডিবির এসআই খোকনে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত এমন তথ্য প্রমাণ এখনও আমরা পাইনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরদিকে কালাম কে গ্রেফতার করে জোড়পূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করেছে এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে রাগ ক্ষোভের ফলেই এসব ঘটছে। এখানে অনেকগুলি বিষয় সামনে এসেছে। প্রতিটি বিষয় গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হবে। অন্যায় যেই করুক কোন ধরনের ছাড় দেওয়া হবেনা। 

#
নরসিংদী
৫/৬/১৮ইং